বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • বুড়িচংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশনা কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায়, প্রধানমন্ত্রীর ফোনকলে পরিবর্তন করা হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় এনসিপি'র ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত কুমিল্লায় স্ত্রীকে গলা কেটে থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ সব প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ভিক্টোরিয়া কলেজ রোভার স্কাউটের সিনিয়র রোভার মেট নির্বাচিত মো. ফয়সাল গোমতীর পানি বৃদ্ধিতে কুমিল্লার চরাঞ্চল প্লাবিত, পানির নিচে হাজারো কৃষকের সবজি ক্ষেত বরুড়ায় চলন্ত পিকআপে ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ৬ দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার
  • কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে কেন্দ্রীয় মাঠ

    আড্ডা, খেলা আর হাসিতে জমে ওঠে ক্যাম্পাসের খোলা মাঠ

    আড্ডা, খেলা আর হাসিতে জমে ওঠে ক্যাম্পাসের খোলা মাঠ
    ছবি সংগৃহীত

    মো. রাকিব হোসেন।। 

    মেঘাচ্ছন্ন আকাশ। হালকা শীতল বাতাস। সবুজে ঘেরা প্রাণবন্ত পরিবেশ। এ যেন এক অন্যরকম প্রশান্তির নাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের খোলা মাঠ। ক্লাস শেষে ব্যস্ততা পেরিয়ে এই মাঠে এসে যেন শিক্ষার্থীরা খুঁজে পায় স্বস্তির নিঃশ্বাস, অবসরের নির্মল আনন্দ।

    চারদিকে সবুজ ঘাসে মোড়ানো বিস্তৃত মাঠ, দূরে সারি সারি একাডেমিক ভবন, আর মাঝখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে শিক্ষার্থীদের নানা ব্যস্ততা। কেউ খেলায় মগ্ন, কেউ হাঁটছেন ধীর পায়ে, কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে গল্পে ডুবে আছেন। এই দৃশ্য যেন ক্যাম্পাস জীবনের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

    মাঠের সামনের অংশে চোখে পড়ে এক হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্য। এক কলেজ শিক্ষার্থী কয়েকজন শিশুকে সঙ্গে নিয়ে মাঠের পথ ধরে হাঁটছেন। তাঁর মুখে মমতার হাসি, আর শিশুদের উচ্ছ্বাসে ফুটে উঠছে নির্ভার শৈশবের প্রাণচাঞ্চল্য। কেউ দৌড়ে বেড়াচ্ছে, কেউ ছোট্ট কুকুরছানার সঙ্গে দুষ্টুমিতে মেতে উঠেছে, আবার একজন মগ্ন দড়ি খেলায়।

    শিক্ষার্থী মেয়েটি শিশুদের কাছে পৌঁছাতেই তারা আনন্দে তাকে ঘিরে ধরে উল্লাসে মেতে ওঠে। পরে মাঠের পশ্চিম কর্ণারে গিয়ে তাদের সঙ্গে গল্প আর খেলায় সময় কাটান তিনি। সেই আনন্দঘন মুহূর্তে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীও শিশুদের সঙ্গে যোগ দেন, সৃষ্টি হয় এক অনন্য মানবিক বন্ধন।

    অন্যদিকে মাঠের পেছনের অংশে চলছে ক্রিকেট খেলার প্রাণচাঞ্চল্য। ব্যাট-বলের শব্দ, দৌড়ঝাঁপ আর উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। ক্লাস ও পরীক্ষার চাপের ফাঁকে খেলাধুলার এই ক্ষণিক মুক্তি যেন শিক্ষার্থীদের নতুন উদ্যম জোগায়। যদিও মেঘলা আকাশের কারণে মাঠের কিছু অংশ ভেজা ছিল, তবু তাতে আনন্দে ভাটা পড়েনি।

     

    প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে মানুষ অবসর পেলেই যখন মোবাইল ফোনে ডুবে যায়, তখনও এমন খোলা মাঠ মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতির সান্নিধ্যে সহজ আনন্দের বিকল্প নেই। এই মাঠগুলোই শহুরে জীবনে প্রাণের স্পন্দন জাগিয়ে রাখে; যেখানে বয়স, ব্যস্ততা কিংবা সময়ের সীমা ভুলে সবাই খুঁজে নেয় নিজের মতো করে বেঁচে থাকার ছোট্ট অবকাশ।


    add